দুর্নীতি দমন কমিশনের করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান গত ২৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এদিন শুনানির সময় কারাগার থেকে আনিস আলমগীরকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি দুদক তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জিত হয়েছে। এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। ফলে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
তার বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টকশো ও কনসালটেন্সি থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা রয়েছে।
এ হিসাবে তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।