মোঃ আরিফ হোসেন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ গত ৩১ মে লকডাউন খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশে কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এনজিও’র সংস্থাগুলো। করোনা এই মহামারীর সময় যেখানে মানুষ কোনো রকম খেয়ে পরে বেঁচে থাকার জন্য কষ্টকর জীবন আরোহণ করে যাচ্ছে।
সেখানে তারা কিভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করবে। মাঠ কর্মীরা গ্রাহকদেরকে নানাভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে চাপ দিচ্ছে। মুঠোফোনেও কল করে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে বলছে। কিস্তি টাকা পরিশোধে গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই।
গ্রাহকদের দাবী দেশের অবস্থা একটু স্থিতিশীল হোক এবং তারা পুনরায় কাজে কর্মে ফিরে আসুক। তখন তারা কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশোধ করবে। তবে অনেক জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন নিষেদাজ্ঞা করেছে কিস্তির টাকা আপাততো না নেওয়ার জন্য।
যাদের সামর্থ্য আছে,তাদের দেওয়ার জন্য। আর যাদের সামর্থ্য নাই,তাদের সাথে যেনো চাপাচাপি না করে। বর্তমানে গ্রাহকদের দাবী এই করোনা মহামারীর সময় তারা যেনো কোনো প্রকার হয়রানীর শিকার না হয়,সেজন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে তারা।