রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রেনেক্স এনিম্যাল হেলথ্ লিঃ এর ভেজাল,ও নিম্নমাণের ঔষুধ। স্থানীয়রা জানান, গৃহপালিত প্রাণীর জীবন রক্ষা ও
মোটাতাজাকরণের এসকল ঔষুধ আসল, নকল, ভেজাল নাকি নিম্নমানের তা বোঝার ক্ষমতা নাই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের। আর এসব মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নতুন লেভেল ও দৃষ্টিনন্দন মোড়কে বোতলজাত করে এসব নকল ও ভেজাল ঔষুধ বাজারে ছেড়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
নকল ঔষুধ সেবন করে গরু-মহিষ ছাগল সহ অন্যান্য পশু সুস্থ না হয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এবং অনেক পশু মারা যাচ্ছে।
অন্যদিকে তাদের কাছে থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রাণী সম্পদ বিভাগের একশ্রেণীর কর্মকর্তা ও মাঠকর্মী এসব ঔষুধ কিনতে গবাদি পশু মালিকদের উদ্বুদ্ধ করছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক মাঠকর্মী বলেন, বিভিন্ন হাট-বাজারের ঔষধের দোকানে অভিযান চালিয়ে রেনেক্স এনিম্যাল হেলথ্ লিঃ এর ওষুধ পরীক্ষা করা হলেই এসবের সত্যতা মিলবে।
স্থানীয়রা জানান, তানোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড মথুরাপুর মহল্লায় রাতারাতি গড়ে উঠা রেনেক্স এনিম্যাল হেলথ লিঃ ৩টি ওষুধ বাজারজাত করনের অনুমতি নিয়ে ২৫টি ওষুধ তৈরী ও বাজারজাত করছে। এসব ওষুধ তাদের কাছে ভেজাল বলে প্রমানিত হচ্ছে।
কারণ হিসবে তারা বলেন, এখানে ওষুধ তৈরীর আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উপকরণ নাই, সব সময় কারখানার গেটে বাইরে থেকে তালা দিয়ে ভিতরে কাজ করানো হয়।
গত মঙ্গলবার (১০)অক্টোবর সরেজমিন, কারখানার কয়েকটি ঘরে বিভিন্ন সাইজের বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিকের বোতল, লেভেল, কাগজের কার্টুন, পলিথিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী দেখা গেছে। স্থানীয়রা এখানে নিয়মিত ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ কারখানা বন্ধের জোর দাবি জানায় ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক কাছে।
এ বিষয়ে তানোর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, বেলাল উদ্দিন বলেন, সুনির্দিস্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর রেনেক্স এনিম্যাল হেলথ লিঃ এর স্বত্ত্বাধিকারী ইমরান হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ২৫টি ওষুধ বাজারজাত করছেন, সবগুলোর অনুমতি রয়েছে।