দেশের সবজি ভান্ডার হিসেবে পরিচিত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া, মুলাডুলি, সলিমপুর, সাহাপুর, লক্ষিকোন্ডাসহ মোট ৭টি ইউনিয়নে ধান,সিম, লিচু, বাঁধাকপি-ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ হয়ে থাকে। অথচ এ উপজেলায় সার, বিষ সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে কৃষকরা। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কৃষকদের কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে চড়া মূল্যে।
কৃষকরা বলছেন, টিএসপি সার সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি বস্তা ১৩শ ৫০টাকা। এবং ইউরিয়া সারও প্রতি বস্তার মূল্যে ১৩শ ৫০ টাকা। অসাধু চক্করের খপ্পরে পড়ে উৎপাদন খরচ বাড়াই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কৃষকরা।
কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে খুচরা বিক্রেতাদের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন ডিলার। ডিলাররা বলছেন বাকিতে বিক্রির কারনেই সার-বিশের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ বরাদ্দ কম থাকাই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে এসব গুরুত্বপূর্ণ সার।
যখন বরাদ্দ বেশি থাকে তখন দামটা আবার স্বাভাবিক হয়েছে যায়।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, এই উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নাই। তবে সার-বিশ সিন্ডিকেটের অভিযোগ পেলে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।
উল্লেখ্য, দেশের ধান এবং সবজি বাজারের বড় একটি অংশ পূরণ হয় এই উপজেলা থেকে। তাই সার-বিশ সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে দ্রুতই আইনের আওতায় না আনা হলে চড়া মাসুল গুনতে হবে বলে আসংখ্যা চাষীদের।