মোঃ রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ এলাকার মো: আব্দুল আহাদ ব্যাপারীর পুত্র শহিদুল ইসলাম শিমুল সমাজ সেবায় নিজেকে অবিরাম রাখতে নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছে ‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র। জেলায় স্বাস্থ্য সেবায় দীর্ঘ দিন হতে ব্যাপক অবদান রেখে যাচ্ছে এই স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি।
কেন্দ্রটির সেবিকাগন গ্রাম এলাকা ঘুরে হতদরিদ্র মানুষ যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদেরকে খুঁজে বের করে দুই শত টাকার বিনিময়ে ছয় মাস মেয়াদি একটি কার্ডের মাধ্যমে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমানে পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে ২ হাজারে উর্ধে উপকারভোগী স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করছে। সরকারি ছুটি ও শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিনই সেবা কেন্দ্রটি চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এখানে প্রাথমিকভাবে সকল চিকিৎসা দেয়া হয়।
প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য সু–ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রটির পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম শিমুল চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের সব সময় সরাণাপন্ন থেকে তার এ প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান বাড়ানোর প্রচেষ্ঠা অব্যাহত চালিয়ে যাচ্ছে।
তার ইচ্ছা এ পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটিতে যেন সল্প খরচে সব শ্রেণীর মানুষ সকল চিকিৎসা সেবা নিতে পারে। বর্তমানে এ সেবা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সেবা দেয়ারমত প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নেই। প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামাদি থাকলে দরিদ্রদের সকল চিকিৎসা সেবা দেয়ার স্বপ্ন পুরণ হবে।
সেবা গ্রহীতা সদর উপজেলার মোছা: দুলালী বেগম, সাদু মিয়া, নাগেশ্বরী উপজেলার রহিমা বেগম, আউয়াল, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার রেনুকা বেগম, মর্জিনা বেগম, রোজিনা বেগম, আনোয়া বেগম বলেন, আমরা অর্থের অভাবে নিজেদের চিকিৎসা ঠিকমত করাতে পারিনা।
পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে এখন আমরা আমাদের সু–চিকিৎসা পাচ্ছি। আমরা চাই এ মহতি উদ্যোগে সরকারি বা বে–সরকারি সহযোগীতায় আমাদের সু–চিকিৎসা এবং কেন্দ্রটির উত্তর উত্তর উন্নতি।
পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র’র পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম শিমুল বলেন, আমি কুড়িগ্রামের দরিদ্র, হতদরিদ্র সহ সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষের চিকিৎসার জন্য ‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র’র মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ সেবা কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত অনেক রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে ভালো আছেন।
বর্তমানে করোনা মহামরিতেও আমার এ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র’র চিকিৎসার মান বাড়াতে সরকারি, বে–সরকারিভাবে সহযোগীতা কামনা করছি। এখানে স্বল্প খরচে যদি সকল চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হয় তবে সদর হাসপাতালে রোগীদের চাপ অনেক কমে আসবে।