ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ করছেন। প্রত্যেকটি ব্লক ও প্রদর্শনী করে এই ফসলের তদারকি করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বীজ সার সহ বিভিন্ন সহযোগিতা দেয়া হয়েছে।
দাগনভূঞায় সূর্যমুখী চাষের ফলে একদিকে যেমন কৃষকদের আয় হচ্ছে ঠিক অন্যদিকে পতিত অনাবাদি জমিকে কাজে লাগিয়ে বেশ লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। চাহিদা ও ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা সূর্যমুখী চাষের দিকে ঝুঁকছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ করছেন। সূর্যমুখী চাষের জন্য উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ হেক্টর জমি। তার মধ্যে আবাদ হয়েছে ১১ হেক্টর জমি। এই বছর সূর্যমুখী লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম আবাদ হয়েছে। তবে সূর্যমুখী ফুলের তেল খুব উপকারী।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের শাহজাহান, সিরাজউদ্দৌলার ও লিয়াকত আলীর সূর্যমুখী ফ্লটে গিয়ে দেখা গেছে, সূর্যমুখী বাগানের অপূর্ব সুন্দর দৃশ্য। পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন কৃষকরা। কৃষক শাজাহান বলেন, আমার ৩০ শতক জমি অনাবাদি ছিল। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ মোতাবেক শুরু করি সূর্যমুখী আবাদ। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে বীজ দেয়া হয়েছে।
দাগনভূঞা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, যে সকল প্রকৃত কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হয়েছে, শুধু তারাই করছে সূর্যমুখীর আবাদ। কিন্তু অন্যান্য কিছু কৃষকরা নিজ উদ্যোগে তেমন আবাদ করেননি। তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম সংখ্যক আবাদ হয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের চারা রোপনের দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন আসে।