জুলাই অভ্যুত্থানকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তিন আসামির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কামাল এখনও পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়ার সকল নথি আদালতে উপস্থাপন করা হলেও দু’জনের অনুপস্থিতির কারণে রায় কার্যকর হতে সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে মামলার আরেক আসামি ও সাবেক আইজিপি মামুন প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে বন্দি। তদন্তে তার বিবৃতি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সে কারণে তাকে রাষ্ট্রপক্ষের ‘রাজসাক্ষী’ বলা হচ্ছে। সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে করে মামুনকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। একাধিক স্তরের পুলিশ নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে তাকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালতে প্রবেশের সময় মামুনের মুখে ক্লান্তি ও মানসিক চাপের ছাপ ছিল।
মামলার নথিতে দেখা যায়, অভ্যুত্থান সময়কার বেশ কিছু নির্দেশ, অভিযান ও গোপন মিটিংয়ে মামুনের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ উঠে। তবে তিনি আদালতে দাবি করেন, তিনি ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার আইনজীবীরা বলেন, “মামুন আদালতে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন, যেটি সত্য উদঘাটনে সাহায্য করবে।”