নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া – আটপাড়া) আসনে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন আনোয়ার হোসেন রনি ওরফে এ.এইচ.রনি কে রূহি। বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান এই নেতাকে ‘ট্রাক’ মার্কায় প্রার্থী করেছে গণঅধিকার পরিষদ-জিওপি।
আসন্ন নির্বাচনে নেত্রকোণা-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কেন্দুয়ার কৃতি সন্তান এই আনোয়ার হোসেন রনি। তিনি বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদ-জিওপি’র যুব উইংস বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কেন্দুয়া উপজেলা তার দলীয় কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক এবং সমর্থকরা মনে করছেন, এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পর রনি’র প্রার্থীতা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডলী গ্রামে জন্ম নেওয়া আনোয়ার হোসেন রনি মো. গফুর আহমেদ খান ও মোছা: রোমেলা আক্তারের সন্তান। বিএ অনার্স সম্পন্ন করার পর তিনি প্রথমে একজন গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে গণমানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেন।
রাজনীতিতে তার উত্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে রূহি বলেন, গণঅধিকার পরিষদ-জিওপি জন্ম নেয় ২০১৮-২৪ কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে। ভিপি নুরের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার মেধাবী ছাত্রকে নিয়ে গড়ে ওঠা এই তারুণ্যের দলটি বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে উঠে আসা এক সাহসী প্ল্যাটফর্ম।
তিনি জানান, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বর্জন, প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ছাত্র সমাবেশ, এমনকি ছাত্র অধিকার পরিষদের ওপর হামলার প্রতিবাদসহ বিভিন্ন জাতীয় ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
আনোয়ার হোসেন রনি তাঁর রাজনৈতিক মূল ভিত্তি তুলে ধরে বলেন, দলের স্লোগান “জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার। আমাদের অঙ্গীকার, দেশ হবে জনতার” ধারণ করেই তিনি মাঠে নেমেছেন।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের বিশেষ করে তরুণদের পাশে থেকে সেবা দিতে চাই। জনগণের সুখ-দুঃখে সাথে থাকাই আমার রাজনীতির মূল ভিত্তি। তাই আসন্ন নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রার্থী হতে হয়েছি। সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”