1. info@dailyshadhinbarta.com.bd : sbarta : দৈনিক স্বাধীন বার্তা Shadhin Barta
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

ফুলবাড়ি উপজেলায় এখনো অবৈধভাবে বালু উত্তলন থামেনি

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ফুলবাড়িয়া (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৫

দিনাজপুর ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়ন, খয়েরবাড়ী ইউনিয়ন, দৌলতপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ্যভাবে চলছে বালু ও মাটি কাটার উৎসব। এতে চরম বিপদে পড়েছে সংশ্লিষ্ঠ এলাকার কৃষক,আবাদকৃত ফসল,গ্রামীন রাস্তা-ঘাট। ঝুতিতে চলাচল করছে স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করছে, বলেন অভিযোগ করছেন অনেকে।

দীর্ঘ বছর যাবত একই জায়গায় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করে আসছে প্রভাবশালি কুচক্রি মহল। এর আগে বাংরাদেশের প্রথম সাড়ির পত্রিকাগুলোতেও একের পর এক সংবাদ প্রকাশিত হলেও প্রশাসনকে শক্ত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

সরজমিনে শিবনগর ইউনিয়নের নদী ঘেষা রাজারামপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়। স্থানীয় প্রভাবশালী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ চৌধুরী তার নিজের জায়গায় মাটি কাটছেন। সেখানে তিনি তার নিজের জায়গা প্রায় ৮ফিট গভীর করে মাটি ও বালি কেটে বিক্রয় করছেন। সেই বালি ও মাটি বহনকারী ট্রাক্টর দিয়ে পাশের জমির মালিকের চাষকৃত ভুট্টা ক্ষেত ও গাছ লাগানো বাগান ধ্বংস করছেন।

সেই সাথে পাশে থাকা বিদ্যালয়ের ওয়াল ও গাছ নষ্ট করেছেন। বিদ্যালয়টির সীমানা প্রাচির না থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রয়েছে ঝুকিতে। বিয়টি নিয়ে রাজারামপুর সফর উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানসহ গ্রামের ৭ জন কৃষক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ চৌধুরী বিপ্লবের নামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযোগ পেয়ে একবার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীকে পাঠিয়েছিলেন এর পর আর কোন পদক্ষেন নেন নাই বলে জানান, শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ফজলুর রহমান। পরে তিনি আবার তার জায়গায় গাছ রোপন করেছেন।

অপরদিকে আলাদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর হোসেন তার নিজ পুকুরের মাটি কেটে নিচু জমি ভরার করবে বলে ভুমি অফিসের অনুমোতি নিয়ে পুকুর থেকে মাটি না কেটে কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রয় করছেন। এমন দৃশ্য দেখা যায় খয়েরবাড়ী,দৌলতপুর ইউনিয়নের নদী ঘেষা এলাকা গুলোতে।
সংশ্লিষ্ট্য এলাকার মানুষের একটাই দাবি তাদের কৃষি জমি, ফসলের মাঠ ও যাতায়াতের রাস্তা ধ্বংস রোধে প্রশাসন
যেন তৎপর হয়। তারা আতংঙ্ক নিয়ে বলেন আর যদি রক্ষক ,ভক্ষকের রুপ ন্যায় তাহলে আমরা যাবো কোথায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
LICENCE NO- TRAD/DSCC/210965/2019 and applied for registration.
Community Verified icon