ফেনী শহরে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিত লাভ করছে বিটরুট। শহরের ট্রাংক রোড ও কলেজ রোডসহ বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে দেখা মিলছে বিটরুটের। স্বল্প মূল্যের এই বিটরুট এর জুস বা সালাদ বানিয়ে খাওয়া যায় বেশ সাচ্ছন্দ্যে।গাঢ় গোলাপি বা লাল রঙের এই সবজিটির এক সময়ে আমাদের দেশে খুব বেশি পরিচিতি না থাকলেও ইদানীং এটি বেশ পরিচিত সবজিতে পরিণত হয়েছে।
বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও ঔষধি গুনসম্পন্ন এই সবজিটি বিশেষ করে শীতকালে দেখা মেলে। বিটরুট ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি ইত্যাদি উপাদান আছে এই সবজিটিতে। এতে আরো রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজম শক্তি বৃদ্ধি, ফ্যাটি লিভার দূরীকরণ ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে এই বিটরুট। গাইবান্ধা, চুয়াডাঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জেলায় চাষ হয় এই বিটরুট এর।
ফেনী শহরের পিটিআই স্কুল গেইটের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিটরুট বিক্রি করেন রংপুর জেলার এক বাসিন্দা। তিনি বলেন, প্রতিদিন ৬০-৭০ কেজি বিটরুট বিক্রি করি। খুচরা বাজারে এটি বিক্রি হয় ১০০ টাকা কেজিতে। পাইকারি বাজার থেকে এটি কিনা হয় ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।