বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে একটি নতুন অধা পাকা ঘর উপহার পেলেন নেত্রকোনা জেলাধীন- দুর্গাপুর উপজেলার অসহায় বৃদ্ধা শুক্কুরী বেগম (৭০)। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের তত্ত্বাবধানে- শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পৌরসভার খুজিউড়া খালপাড় এলাকার বাসিন্দা শুক্কুরী বেগম। অনেক আগেই তার স্বামী মারা গেছেন এবং একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি একাই থাকেন। ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করা এই বৃদ্ধার মাথা গোঁজার জন্য ছিল একটি ছোট্ট জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর। ঝড়-বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে যেত, যার কারণে তাকে প্রায়ই অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হতো। শুক্কুরী বেগমের এমন দুরবস্থার কথা জানতে পারেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারা বিষয়টি দুর্গাপুর-কলমাকান্দার বিএনপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কাছে তুলে ধরেন। এরপর তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাকে একটি নতুন ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন কায়সার কামাল।

নতুন ঘর পেয়ে শুক্কুরী বেগম বলেন, “ভাঙা একটি ঝুপড়ি ঘরে অসহায়ভাবে জীবন কাটিয়েছি বহু দিন। কখনো ভাবিনি আমার একটি নিরাপদ ঘর হবে। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভূইয়া বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য নানা মানবিক কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নতুন ঘর হস্তান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতারা সাধারণত ক্ষমতার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকেন, কিন্তু তারেক রহমান দেখিয়েছেন যে মানবিক দায়িত্ববোধই একজন প্রকৃত নেতার মূল শক্তি।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, তারেক রহমানের এই মানবিক ধারা অনুসরণ করেই শুক্কুরী বেগমকে ঘরটি উপহার দেওয়া হয়েছে, যা সমাজে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।