বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এখনো নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। যদিও ক্যাটরিনা এখন ভিকি কৌশলের সঙ্গে সুখী সংসার করছেন, তবুও সালমানের সঙ্গে তার অতীতের গল্প নিয়ে চর্চা থামেনি।
ক্যাটরিনার বলিউড যাত্রার শুরুতে সালমান খান ছিলেন তার অন্যতম সমর্থন ও পথপ্রদর্শক। বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও দুজনের মধ্যে স্নেহ ও আন্তরিকতার বন্ধন আজও অটুট রয়েছে। তবে এই সম্পর্কে একবার কিছুটা মান-অভিমানও হয়েছিল—যা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী এডি সিং (এডি সিং)।অলিভ বার অ্যান্ড কিচেনের প্রতিষ্ঠাতা এডি সিং জানান, রেস্তোরাঁর শুরুর দিকের এক রাতে ক্যাটরিনা তার বন্ধুদের সঙ্গে বাইরের টেবিলে বসে সময় কাটাচ্ছিলেন। অন্যদিকে বারের ভিতরে সালমান তার ভাই সোহেল খান ও আরবাজ খানের সঙ্গে ছিলেন। পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছিল দুজনের মধ্যে ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’ চলছে—ক্যাটরিনা সালমানের ওপর খুব রাগান্বিত ছিলেন।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত মিষ্টি মুহূর্ত। সালমান মুখে একটি গোলাপ ফুল ধরে হাসিমুখে ক্যাটরিনার টেবিলের পাশ দিয়ে নাচতে নাচতে বাথরুমে যান এবং ফিরে আসেন। এই ছোট্ট কিন্তু হৃদয়স্পর্শী আচরণে মুহূর্তেই গলে যায় ক্যাটরিনার রাগ। এডি সিং এই ঘটনাকে ‘ভীষণ আদুরে ও স্মরণীয়’ বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, সালমানের এই মজার কাণ্ডেই সেদিন দুজনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয় এবং তারা আবার এক হয়ে যান। একবার ক্যাটরিনা নিজেও সালমানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বলেছিলেন যে, সময় দুজনকেই অনেক পরিণত করেছে।
তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘মেইনে প্যায়ার কিউঁ কিয়া’ (২০০৫) দিয়ে এবং চলেছে ‘টাইগার ৩’ পর্যন্ত। এই দীর্ঘ পথে তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ‘পার্টনার’, ‘হ্যালো’, ‘যুবরাজ’, ‘এক থা টাইগার’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’, ‘ভারত’সহ একাধিক হিট ছবিতে।