সাতক্ষীরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার সময় হাতের লেখার অমিল ধরা পড়ায় এক নারী প্রার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রার্থীর নাম আসমা খাতুন (রোল নম্বর: ৫৯২৪০৫৪)।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভাইভা পরীক্ষা চলাকালে প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিটে থাকা হাতের লেখার সঙ্গে ভাইভা বোর্ডের সামনে তার লেখার স্পষ্ট অমিল লক্ষ্য করা যায়। এতে ভাইভা বোর্ড তার প্রার্থিতা বাতিল করে।পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এর প্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসমা খাতুনকে হেফাজতে নেয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন বলেন, মেয়েটি ভাইভা পরীক্ষা দিয়ে বাসায় চলে যাওয়ার পর তাকে আবার ডেকে এনে আটকে রাখা হয়। রাত পর্যন্ত সে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিল। তিনি আরও বলেন, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ভাইভায় পারফর্ম না করায় সন্দেহ হয় যে, হয়তো তার পরীক্ষা অন্য কেউ দিয়েছে। তবে এটি অমানবিক বলে মনে করেন তিনি। মেয়েটি গরিব পরিবারের, স্বামী পঙ্গুত্বের শিকার এবং দুটি সন্তান রয়েছে।
জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।